1. engg.robel@gmail.com : Shah Mohammad Robel : Shah Mohammad Robel
  2. alamgirtekcip@gmail.com : CollectionNews :
বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীকে শাস্তি পেতেই হবে : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার জেলা আ’লীগের সভায় জাতীয় সম্মেলন ও মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচী নির্ধারণ আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান টেকনাফে বিজিবি’র সাথে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত : ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার টেকনাফ ডেইল পাড়া পল্লী সমাজ উন্নয়নের উদ্যােগে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত Salman, Katrina meet Prime Minister Sheikh Hasina মা হলেন গণজাগরণ মঞ্চের স্লোগানকন্যা সেই লাকি ঢাকায় নেমে ডাবের পানি খেলেন সালমান-ক্যাটরিনা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করতে দেশে আসছেন মোদি-প্রণব-সোনিয়া মিয়ানমার ১৭ বাংলাদেশি জেলেকে আটক করেছে

একটি ইনকিউবেটর ও তিন ফটোথেরাপি মেশিন দিয়ে চলছে শিশুর চিকিৎসা

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ৩৬ নিউজটি পড়া হয়েছে

যশোর ব্যুরো: যশোর জেনারেল হাসপাতালের শিশু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বাড়েনি চিকিৎসা সামগ্রী ও মেশিনারীজের সংখ্যা। যে কারণে এ ওয়ার্ডে শিশুদের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, শীতের শুরুতে ঠান্ডা জনিত শিশু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে হাসপাতালে আরও রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু ব্যবস্থাপত্র দিলেও চিকিৎসা সামগ্রী ও মেশিনারীজের অভাবে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের রেজিস্টার খাতা অনুযায়ী, রোববার দুপুর থেকে সোমবার বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত শিশু ওয়ার্ডে নিউমনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিত রোগ নিয়ে ৭৫ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে ওয়ার্ডে ৬৫ জন শিশু রোগী অবস্থান করছেন। এর মধ্যে ২২ জন শিশু রয়েছে নিউনেটাল ব্লকে। ফলে নিউনেটাল ব্লকে পাঁচটি বেবি টলিতে চাপাচাপি করে ৪/৫ জন করে শিশু রাখতে হচ্ছে। অপরদিকে, সাধারণ বেডে জায়গা না থাকায় অনেক শিশুকে ঠান্ডার মধ্যে ওয়ার্ডে ফ্লোরে রাখতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। এদিকে হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে যশোর জেনারেল হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীত হলে সে সময় শিশু রোগীদের জন্য পাঁচটি ইনকিউবেটর মেশিন, ছয়টি ফটোথেরাপি মেশিন ও বিভিন্ন সময় কয়েকটি সাকার মেশিন, সেলাইন ঝুলানোর স্টান্ড এবং দুইটি অক্সিজেন সিলিন্ডার বরাদ্দ দেওয়া হয়। নবজাতক শিশুদের জন্য ২০১১ সালের জুলাইয়ে ওয়ার্ডের মধ্যে স্থাপন করা হয় নিউনেটাল ব্লক। তখন এই সকল মেশিনারিজ ওই ব্লকে স্থানান্তর করে একটি বিশেষ রুম গড়ে তোলা হয় শিশুদের জন্য। এই রুম গরম ও ঠান্ডা করার জন্য ওয়ারমার মেশিনও স্থাপন করা হয়। দীর্ঘ তিন বছর এই বিভাগ থেকে শিশুরা উন্নত চিকিৎসা পেলেও মেশিনগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে নিউনেটাল ব্লকটি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সোমবার সকালে ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে শিশু রোগীদের জন্য একটি নেবুলাইজার মেশিন, একটি ইনকিউবেটর, তিনটি ফটোথেরাপি মেশিন, একটি সাকার মেশিন, সেলাইন ঝুলানোর ৪টি স্টান্ড এবং দুইটি অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে। যা রোগীর সংখ্যার তুলনায় অনেক কম। ওয়ার্ডে কর্তব্যরত সেবিকা রাজিয়া সুলতানা জানান, যে পরিমাণ শিশু ভর্তি হয় সে তুলনায় চিকিৎসা সামগ্রী ও মেশিনারীজের সংখ্যা ওয়ার্ডে নেই। দেখা যায় এ সকল মেশিন রোগীরা ব্যবহারের সময় আরও ২/৩টি রোগী ওয়ার্ডে ভর্তি হচ্ছে। তাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে মেশিনের প্রয়োজন হয়। কিন্তু তাৎক্ষণিক ওই সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না। নিউনেটাল ব্লকের চিকিৎসাধীন বসুন্দিয়া সিঙ্গিয়া গ্রামের বাসিন্দা বৃষ্টি জানিয়েছেন, তার দুই দিনের শিশুকে শিশু ওয়ার্ডে শ্বাসকষ্ট জনিত কারণে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু ভর্তির পর থেকে নেবুলাইজার দিতে গিয়ে সঠিকভাবে দেওয়া যাচ্ছে না। যখনই দেওয়া হচ্ছে পাঁচ মিনিট পরে আর এক জন শিশুকে নেবুলাইজার দেওয়ার জন্য স্বজনরা আসছেন। অনেক সময় চিকিৎসক শিশুকে ইনকিউবেটরের মধ্যে রাখতে বলেছেন। কিন্তু একটি মেশিন হওয়ার কারণে এক ঘণ্টার বেশি রাখতে পারছেন না তিনি। নবজাতকের মা আঞ্জুমান আরা, রজিনা, ইসমত আরাও এসব সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এ ব্যাপারে মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান জানান, বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে উন্নত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু চিকিৎসা সামগ্রী ও মেশিনারীজের সংখ্যা কম থাকায় সেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। আগামীতে শীত বৃদ্ধি পেলে ওয়ার্ডে শিশু রোগীর সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে। তখন ইচ্ছা না থাকলেও মেশিনারীজ সাপোর্টের জন্য রোগীদের রেফার করতে হবে। এ ব্যাপারে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু জানিয়েছেন, শিশু ওয়ার্ডে মেশিনারীজ সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে জানানো হয়েছে। এমনকি শিশু ওয়ার্ডের একটি চাহিদাপত্র স্বাস্থ্য সচিবের হাতেও দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..